Welcome to Praava Community

...

ডাক্তার সাজ্জাদুর রহমান

সিনিয়র মেডিকেল এ্যাডভাইজার

"আমি প্রাভা টীমের একাংশ কারণ আমরা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি নতুন ধারা তৈরি করছি"।

প্রফেসর রহমান বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিসেস এর সার্জারি এবং পেডিয়াট্রিক সার্জারির একজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক কনসালট্যান্ট জেনারেল সার্জন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ডিস্টিংশন সহ স্নাতক (এমবিবিএস) পাশ করেন এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ইন্টার্নশীপ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস থেকে শল্যচিকিৎসায় প্রশিক্ষণ লাভ করেন এবং এডিনবার্গের রয়েল কলেজ অফ সার্জনস থেকে তার ফেলোশিপ (এফআরসিএস) অর্জন করেন। এরপর তিনি জর্জ ইলিয়ট হাসপাতাল, নানইটন, যুক্তরাজ্যের কনসালটেন্ট জেনারেল সার্জন হন। প্রফেসর রহমান বাংলাদেশের সরকারি খাতে প্রথম পেডিয়াট্রিক শল্যচিকিৎসক ছিলেন- প্রথমে ইন্সটিটিউট অব পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ (আইপিজিএমআর) এবং পরবর্তীতে ঢাকায় (বর্তমান বিএসএম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়)। তিনি বাংলাদেশের প্রথম আটটি সরকারি মেডিকেল কলেজে পেডিয়াট্রিক সার্জারি স্পেশালিটি (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) গড়ে তোলেন এবং এবং উত্তরার আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের পরিকল্পনা পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। প্রফেসর রহমান ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট সার্জন ছিলেন এবং পরিশেষে তিনি বাংলাদেশ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা সংস্থার সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। আইপিজিএমআর এর জেনারেল ও পেডিয়াট্রিক সার্জারির অধ্যাপক থাকাকালীন প্রফেসর রহমান প্রাথমিকভাবে কিডনি স্থানান্তর কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। তিনি সরাসরি ৫৪টি কিডনি স্থানান্তর প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিসেস এর অধ্যাপক এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের প্রধান হিসেবে অবসর গ্রহণের পূর্বে তিনি সৌদি আরবে কনসালটেন্ট পেডিয়াট্রিক সার্জন হিসেবে কাজ করেন। সরকারি সেবা থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি প্রধান সার্জন হিসেবে আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালে যোগ দেন। তিনি ২০০৬ সাল হতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করেন। প্রফেসর রহমান ব্রিটিশ কাউন্সিলের পৃষ্ঠপোষকতায় একজন জ্যেষ্ঠ কমনওয়েলথ ফেলো, রোটারি ক্লাবের একজন সক্রিয় সদস্য এবং একজন পল হ্যারিস ফেলো।